০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেয়ারম্যানকে তলব, বিতর্কে জবি প্রক্টর

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রশাসনের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে প্রক্টর অফিসে তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানকেও শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অব বিজনেস ও প্রশাসনিক প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যকে নিয়ে মানহানিকর বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এছাড়া তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই আগামী ১৪ জুলাই সকাল ১০টায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫-এর ধারা ৮ (বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা) অনুযায়ী, বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অবস্থান কর্মকর্তাদের তালিকায় সপ্তম স্থানে। অন্যদিকে প্রক্টরের অবস্থান দশম স্থানে। অর্থাৎ প্রশাসনিক কাঠামোয় বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রক্টরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সেই অবস্থান থেকে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে শিক্ষার্থীসহ প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অব বিজনেস লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে চিঠি শিক্ষার্থীর নামে ইস্যু করে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে কেবল অবহিত করার জন্য অনুলিপি (কপি ফর ইনফরমেশন) দেওয়া হয়। কিন্তু এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকেই সরাসরি সম্বোধন করে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে, যা প্রশাসনিক রীতি ও ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫-এর ধারা ৮ অনুযায়ী বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অবস্থান প্রক্টরের ঊর্ধ্বে। প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় একজন অধস্তন কর্মকর্তা তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন না। যদি কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তাহলে চিঠি শিক্ষার্থীর নামে ইস্যু করে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অনুলিপি দেওয়া যেত। কিন্তু চেয়ারম্যানকে শিক্ষার্থীসহ প্রক্টর অফিসে হাজির হতে বলা প্রশাসনিক প্রটোকল ও রুলস অব বিজনেসের পরিপন্থী। এ ধরনের চিঠি ভবিষ্যতে প্রশাসনিক নজির হিসেবেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জাহিদ হাসান সাধারণ কোনো শিক্ষার্থী নন; তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব প্রশাসনিক দপ্তরেই তার পরিচিতি রয়েছে। কিছু সময় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ না হলে সেটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তাকে বিভাগের কার্যালয় কিংবা জকসু অফিসে সহজেই পাওয়া যেত। তাকে খুঁজে বের করা প্রক্টর অফিসের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তা না করে যেভাবে চিঠিতে তাকে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে যেন তিনি স্কুল পালিয়ে থাকা কোনো বালক।

এর আগে রোববার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে জাহিদ হাসান অভিযোগ করেন, ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার বিষয়ে বিকেল থেকেই জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। প্রশাসন বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিলেও রাত পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তিনি আরও লেখেন, সন্ধ্যার পর থেকে জকসুর নেতারা উপাচার্য ও ট্রেজারারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও উপাচার্য জকসুর ভিপির ফোনও রিসিভ করেননি। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তা করেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রক্টর অফিসের নোটিশ পাওয়ার পর সোমবার রাতে জাহিদ হাসান নিজের ফেসবুকে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ। গতকালকের ফেসবুক পোস্টের বিপরীতে প্রক্টর অফিস থেকে আমাকে আগামীকাল ডাকা হয়েছে। জবি প্রশাসন এবং মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের বিরুদ্ধে নাকি মানহানিকর পোস্ট করেছি।

তিনি আরও লেখেন, আমার সোনার জগা বাবু! ধন্যবাদ! আর কত খেল দেখাবে প্রশাসন, স্রষ্টা জানেন! কমেন্টে গতকালকের পোস্টের লিংক দিলাম। আপনারা একটু জানাইয়েন কোন বিষয়টা মানহানিকর ছিল?

চিঠির বিষয়ে সোমবার দাতে জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, কোন বক্তব্যকে মানহানিকর মনে করা হয়েছে, সেটি আলাদাভাবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। জাহিদের ফেসবুক পোস্টেই বিষয়টি রয়েছে। পোস্টটি দেখলেই বোঝা যাবে।

বিষয়টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, “অবশ্যই না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। সেও মতপ্রকাশ করতে পারে।”

সম্ভাব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা যাচ্ছে না। আগে তাকে ডেকে কথা বলতে হবে। আমি নিজে আজ প্রায় ১০ বার তার মোবাইল ফোনে কল করেছি, কিন্তু সে ফোন রিসিভ করেনি। তাই তার বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে আগামীকাল প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য জানানো হয়েছে।”

চেয়ারম্যানকে তলব, বিতর্কে জবি প্রক্টর

প্রকাশ: ০৯:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রশাসনের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে প্রক্টর অফিসে তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানকেও শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অব বিজনেস ও প্রশাসনিক প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যকে নিয়ে মানহানিকর বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এছাড়া তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই আগামী ১৪ জুলাই সকাল ১০টায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫-এর ধারা ৮ (বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা) অনুযায়ী, বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অবস্থান কর্মকর্তাদের তালিকায় সপ্তম স্থানে। অন্যদিকে প্রক্টরের অবস্থান দশম স্থানে। অর্থাৎ প্রশাসনিক কাঠামোয় বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রক্টরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সেই অবস্থান থেকে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে শিক্ষার্থীসহ প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অব বিজনেস লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে চিঠি শিক্ষার্থীর নামে ইস্যু করে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে কেবল অবহিত করার জন্য অনুলিপি (কপি ফর ইনফরমেশন) দেওয়া হয়। কিন্তু এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকেই সরাসরি সম্বোধন করে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে, যা প্রশাসনিক রীতি ও ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫-এর ধারা ৮ অনুযায়ী বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অবস্থান প্রক্টরের ঊর্ধ্বে। প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় একজন অধস্তন কর্মকর্তা তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন না। যদি কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তাহলে চিঠি শিক্ষার্থীর নামে ইস্যু করে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অনুলিপি দেওয়া যেত। কিন্তু চেয়ারম্যানকে শিক্ষার্থীসহ প্রক্টর অফিসে হাজির হতে বলা প্রশাসনিক প্রটোকল ও রুলস অব বিজনেসের পরিপন্থী। এ ধরনের চিঠি ভবিষ্যতে প্রশাসনিক নজির হিসেবেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জাহিদ হাসান সাধারণ কোনো শিক্ষার্থী নন; তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব প্রশাসনিক দপ্তরেই তার পরিচিতি রয়েছে। কিছু সময় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ না হলে সেটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তাকে বিভাগের কার্যালয় কিংবা জকসু অফিসে সহজেই পাওয়া যেত। তাকে খুঁজে বের করা প্রক্টর অফিসের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তা না করে যেভাবে চিঠিতে তাকে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে যেন তিনি স্কুল পালিয়ে থাকা কোনো বালক।

এর আগে রোববার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে জাহিদ হাসান অভিযোগ করেন, ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার বিষয়ে বিকেল থেকেই জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। প্রশাসন বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিলেও রাত পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তিনি আরও লেখেন, সন্ধ্যার পর থেকে জকসুর নেতারা উপাচার্য ও ট্রেজারারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও উপাচার্য জকসুর ভিপির ফোনও রিসিভ করেননি। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তা করেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রক্টর অফিসের নোটিশ পাওয়ার পর সোমবার রাতে জাহিদ হাসান নিজের ফেসবুকে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ। গতকালকের ফেসবুক পোস্টের বিপরীতে প্রক্টর অফিস থেকে আমাকে আগামীকাল ডাকা হয়েছে। জবি প্রশাসন এবং মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের বিরুদ্ধে নাকি মানহানিকর পোস্ট করেছি।

তিনি আরও লেখেন, আমার সোনার জগা বাবু! ধন্যবাদ! আর কত খেল দেখাবে প্রশাসন, স্রষ্টা জানেন! কমেন্টে গতকালকের পোস্টের লিংক দিলাম। আপনারা একটু জানাইয়েন কোন বিষয়টা মানহানিকর ছিল?

চিঠির বিষয়ে সোমবার দাতে জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, কোন বক্তব্যকে মানহানিকর মনে করা হয়েছে, সেটি আলাদাভাবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। জাহিদের ফেসবুক পোস্টেই বিষয়টি রয়েছে। পোস্টটি দেখলেই বোঝা যাবে।

বিষয়টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর বলেন, “অবশ্যই না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। সেও মতপ্রকাশ করতে পারে।”

সম্ভাব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা যাচ্ছে না। আগে তাকে ডেকে কথা বলতে হবে। আমি নিজে আজ প্রায় ১০ বার তার মোবাইল ফোনে কল করেছি, কিন্তু সে ফোন রিসিভ করেনি। তাই তার বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে আগামীকাল প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য জানানো হয়েছে।”