১২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জবির নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে ” চেতনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান “

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘চেতনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১১:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ল্যাবরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য, উপস্থিত বক্তব্য ও দেশাত্মবোধক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় উঠে আসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোর স্মৃতি, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ, সাধারণ মানুষের একাত্মতা এবং অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বাঙালির ঐক্য ও সাহসের চিত্র।

এ সময় জুলাই আন্দোলনে শহীদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদের আত্মত্যাগও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর বিভিন্ন ঘটনা ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, “যারা দেশের জন্য, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। স্বাধীনতা ও আমাদের সকল অর্জনকে ধরে রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনাকেও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে সকল গণ অভ্যুত্থান, আন্দোলনের ইতিহাস ধারণ করে দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক আফরিন হুদা তোড়া। এসময় তিনি বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়বো যেখানে থাকবে মতের ভিন্নতা কিন্তু থাকবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। প্রশ্ন করার যেমন স্বাধীনতা থাকবে তেমনি থাকবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পরিবেশনায় শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরেন। কবিতা, নৃত্য ও বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তারা আন্দোলনের দিনগুলোর সাহস, ত্যাগ, ঐক্য এবং মানুষের অধিকার আদায়ের আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেন।এসময় নাট্যকলা বিভাগের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা – কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

জবির নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে ” চেতনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান “

জবির নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে ” চেতনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান “

প্রকাশ: ১২:৩৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘চেতনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১১:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ল্যাবরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য, উপস্থিত বক্তব্য ও দেশাত্মবোধক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় উঠে আসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোর স্মৃতি, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ, সাধারণ মানুষের একাত্মতা এবং অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বাঙালির ঐক্য ও সাহসের চিত্র।

এ সময় জুলাই আন্দোলনে শহীদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদের আত্মত্যাগও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর বিভিন্ন ঘটনা ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, “যারা দেশের জন্য, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। স্বাধীনতা ও আমাদের সকল অর্জনকে ধরে রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনাকেও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে সকল গণ অভ্যুত্থান, আন্দোলনের ইতিহাস ধারণ করে দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক আফরিন হুদা তোড়া। এসময় তিনি বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়বো যেখানে থাকবে মতের ভিন্নতা কিন্তু থাকবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। প্রশ্ন করার যেমন স্বাধীনতা থাকবে তেমনি থাকবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পরিবেশনায় শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরেন। কবিতা, নৃত্য ও বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তারা আন্দোলনের দিনগুলোর সাহস, ত্যাগ, ঐক্য এবং মানুষের অধিকার আদায়ের আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেন।এসময় নাট্যকলা বিভাগের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা – কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।