২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় প্রায় ১৬ বছর পর ১৭৮ জন বিডিআর সদস্য কারামুক্ত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া গত ১৯ জানুয়ারি তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর ২১ জানুয়ারি কারা কর্তৃপক্ষ জামিনপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে।
সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুম আহমেদ বলেন, ‘জামিন সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আজ ১৬৮ জন মুক্তি পাচ্ছেন, যার মধ্যে কাশিমপুর থেকে ১২৭ জন এবং কেরানীগঞ্জ থেকে ৪১ জন।
সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুম আহমেদ বলেন, ‘জামিন সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আজ ১৬৮ জন মুক্তি পাচ্ছেন, যার মধ্যে কাশিমপুর থেকে ১২৭ জন এবং কেরানীগঞ্জ থেকে ৪১ জন।
সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুম আহমেদ বলেন, ‘জামিন সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আজ ১৬৮ জন মুক্তি পাচ্ছেন, যার মধ্যে কাশিমপুর থেকে ১২৭ জন এবং কেরানীগঞ্জ থেকে ৪১ জন।
সেখানে কথা হয় নায়েক মইনুল হোসেনের মেয়ে জামাই মমিনুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তিন বছর আগে আমাদের বিয়ে হয়। আমাদের ৮ মাসের একটি মেয়েসন্তান আছে। আমার মেয়ের নামও কারাগার থেকে আমার শ্বশুর রেখেছেন। আমি সকাল ৮টা থেকে তাকে রিসিভ করার জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি আমাকে কখনো সরাসরি দেখেননি, আমিও দেখিনি। তাই এই অনুভূতি ব্যক্ত করার ভাষা আমার কাছে নেই।’
অপেক্ষায় থাকা জওয়ান মো. শামসুদ্দিনের বোন মনোয়ারা বেগম সকাল থেকে ভাইয়ের জন্য কারাগারে মূল ফটকে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘১৬ বছর পর ভাই মুক্তি পাওয়ায় আমরা কাছে অনেক খুশি লাগছে।’
সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরের মুক্তি পাওয়া জওয়ান মুনসুর আলীর মেয়ে মালিহা জান্নাতুনকে। বাবা যখন জেলে যান তখন তার বয়স ৩ মাস। এখন সে স্থানীয় রনহাট্রা চৌহদ্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মালিহা জান্নাতুন বলে, ‘আমার মা জামনুর নাহারসহ খালাদের নিয়ে সকাল থেকে জেলখানার সামনে অপেক্ষায় আছি। আমার বাবা ১৬ বছর পর জেল থেকে মুক্তি পাওয়ায় আমরা অনেক আনন্দিত। আমার বাবা এখন মুক্ত বাতাসে বসবাস করবেন। আমরা বাবাকে নিয়ে ঘুরতে যাব।’
মুক্তি পাওয়া মুনসুর আলী বলেন, ‘আমি নির্দোষ বলে মুক্তি পেয়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া ১৬ বছর পরে মুক্তি পেয়েছি। এখন মুক্ত বাতাসে থাকতে পারব।’
টিবিসি ডেস্ক ।। 
















