০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সাইদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

ডা. সাইদুর রহমান বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করবে। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের মানুষের ওষুধ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব ফেলবে। সরকার নির্ধারিত দামে ওষুধ বিক্রি করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বাইরের জন্য পিপিপি দেখে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই করে মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। আন্ডার পেটেন্ট, আউট অব পেটেন্টের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি হবে।’

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।

তিনি বলেন, ‘একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। যারা ওষুধ তৈরি ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত সব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে তারা আলোচনা করেছে। ড্রাগ প্রাইস অথোরিটি হিসেবে কাজ করবে। পর্যায়ক্রমে এটা অথোরিটি হয়ে ওঠবে। ফলে ওষুধ প্রাপ্তিতে বাধাগুলো কেটে যাবে।’

ট্যাগ:

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার

প্রকাশ: ০৭:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সাইদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

ডা. সাইদুর রহমান বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করবে। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের মানুষের ওষুধ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব ফেলবে। সরকার নির্ধারিত দামে ওষুধ বিক্রি করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বাইরের জন্য পিপিপি দেখে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই করে মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। আন্ডার পেটেন্ট, আউট অব পেটেন্টের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি হবে।’

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।

তিনি বলেন, ‘একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। যারা ওষুধ তৈরি ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত সব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে তারা আলোচনা করেছে। ড্রাগ প্রাইস অথোরিটি হিসেবে কাজ করবে। পর্যায়ক্রমে এটা অথোরিটি হয়ে ওঠবে। ফলে ওষুধ প্রাপ্তিতে বাধাগুলো কেটে যাবে।’