০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাকসুর মতবিনিময় সভা বর্জন ছাত্রদলের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিবেশ পরিষদের সঙ্গে ছাত্রসংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভা বর্জন করেছে শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে আয়োজিত এই সভা থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ওয়াকআউট করেন এবং প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি উত্থাপন করেন।

ছাত্রদলের দাবিগুলো যথাক্রমে: ১. জাকসুর তফসিল ঘোষণার আগে ১৫-১৭ জুলাই আন্দোলনে হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা; ২. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা; ৩. ফ্যাসিবাদমুক্ত প্রশাসনের অধীনে জাকসু নির্বাচন আয়োজন করা; ৪. ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত জাকসু নির্বাচনে অংশ না নেওয়া।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, “জাকসু নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো তাদের সম্পৃক্ত করতে পারেনি। বিভিন্ন বিভাগ থেকে ছাত্র প্রতিনিধি চাওয়া হয়েছে, তবে কী ভিত্তিতে তা করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই। তাছাড়া, ১৫ থেকে ১৭ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হলে জাকসু নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশন গঠন ও রোডম্যাপ ঘোষণা করে। এরপর ১১ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা, ২১ জানুয়ারি পরিবেশ পরিষদ এবং ২৪ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

জাকসুর মতবিনিময় সভা বর্জন ছাত্রদলের

প্রকাশ: ০৯:১৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিবেশ পরিষদের সঙ্গে ছাত্রসংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভা বর্জন করেছে শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে আয়োজিত এই সভা থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ওয়াকআউট করেন এবং প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি উত্থাপন করেন।

ছাত্রদলের দাবিগুলো যথাক্রমে: ১. জাকসুর তফসিল ঘোষণার আগে ১৫-১৭ জুলাই আন্দোলনে হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা; ২. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা; ৩. ফ্যাসিবাদমুক্ত প্রশাসনের অধীনে জাকসু নির্বাচন আয়োজন করা; ৪. ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত জাকসু নির্বাচনে অংশ না নেওয়া।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, “জাকসু নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো তাদের সম্পৃক্ত করতে পারেনি। বিভিন্ন বিভাগ থেকে ছাত্র প্রতিনিধি চাওয়া হয়েছে, তবে কী ভিত্তিতে তা করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্টতা নেই। তাছাড়া, ১৫ থেকে ১৭ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হলে জাকসু নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশন গঠন ও রোডম্যাপ ঘোষণা করে। এরপর ১১ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা, ২১ জানুয়ারি পরিবেশ পরিষদ এবং ২৪ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।